4 Vedas In Bengali |link| Full -
| Author/Editor | Title | Format | | :--- | :--- | :--- | | Paritosh Thakur | সামবেদ সংহিতা (Samaveda Samhita) | Online Reading | | Agniveer | সামবেদের পূর্ব ও মহানাম্নী আর্চিক (Samaveda Purva & Mahanamni Archik) | Print Book |
বেদ হলো হিন্দুধর্মের সবচেয়ে প্রাচীন এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। চারটি বেদ রয়েছে, যা ঋক্ বেদ, সাম বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ নামে পরিচিত। এই গ্রন্থগুলিতে হিন্দুধর্মের মৌলিক শিক্ষা, দর্শন, আচার-অনুষ্ঠান এবং সৃষ্টির রহস্য বর্ণিত হয়েছে।
| Author/Editor | Title | Format | | :--- | :--- | :--- | | Bijan Bihari Goswami | অথর্ববেদ (Atharvaveda) | PDF (approx. 54 MB, 667 pages) | | Dilip Mukhopadhyay | অথর্ববেদ সংহিতা (Atharvaveda Samhita) | Online Reading | | J.L. Shastri | অথর্ববেদ (Atharvaveda) | PDF (approx. 91 MB) | 4 vedas in bengali full
অথর্ববেদ পূর্বের তিন বেদ থেকে কিছুটা ভিন্নধর্মী। এটি মহর্ষি অথর্বা এবং অঙ্গিরস ঋষি দ্বারা সংকলিত হয়েছিল। একে 'ব্রহ্মবেদ'-ও বলা হয়।
চার বেদের মধ্যে এটি সর্বশেষে সংকলিত এবং এর বিষয়বস্তু অন্য তিন বেদ থেকে বেশ আলাদা। এটি মানুষের লৌকিক ও জাগতিক জীবনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। | Author/Editor | Title | Format | |
সামবেদে ১,৮৭৫টি মন্ত্র রয়েছে, যার বেশিরভাগই ঋগ্বেদ থেকে নেওয়া হয়েছে।
For a complete review and study, the following publications and authors are highly regarded: ৮৭৫টি মন্ত্র রয়েছে
বেদ হিন্দু ধর্মের সর্বপ্রধান, প্রাচীনতম এবং সবথেকে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। 'বেদ' শব্দের উৎপত্তি সংস্কৃত 'বিদ্' ধাতু থেকে, যার অর্থ 'জ্ঞান'। সনাতন ধর্মে বিশ্বাস করা হয় যে বেদ কোনো মানুষের রচনা নয়, এটি 'অপৌরুষেয়'। পরমেশ্বর ভগবানের মুখনিঃসৃত এই পবিত্র জ্ঞান প্রাচীন ঋষিদের ধ্যানের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। পরবর্তীতে মহর্ষি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস এই বিশাল জ্ঞানরাশিকে চার ভাগে বিভক্ত করেন। এই চার ভাগকে একত্রে 'চতুর্বেদ' বলা হয়।
যজুর্বেদ হলো যজ্ঞের ক্রিয়াকলাপ বা আচার-অনুষ্ঠান সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় বেদ। এটি কর্মকাণ্ডের ওপর বেশি জোর দেয়।
এটি দৈনন্দিন জীবন, বিজ্ঞান, চিকিৎসা এবং আধ্যাত্মিক দর্শনের বেদ। এতে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও প্রতিবিধান রয়েছে।